top of page

                                                                                 "সবুজ প্রাণ সবুজ শিশু / চলার সাথী লক্ষ যিশু"

ABOUT sabuj sishu

আমরা অশোক নগরেরর নাম শুনেছি, সে বাদই থাক পরশু যখন আমার রায়গঞ্জের পক্ষীনিবাস ঘুরতে গেছিলাম, দেখলাম একটা বাড়িতে প্রায় ২০ টার মত মোটা গাছ কেটে রেখেছে, সম্ভবত সেই বাড়িরই গাছ ছিল সেগুলো.. যাই হোক ছোটহাতে পড়েছিলাম "একটি গাছ একটি প্রান"। কিন্তু আজ যে পরিমানে গাছ কাটা হচ্ছে তা সেই বানীকে পুরোপুরি ধ্বংস করছে, কিছু উদাহরন দেওয়া যাক...
আমরা প্রতিদিন পেপার পড়ি.... প্রতিদিন কত পাতায় পাতায় নোট লিখি, রান্না করতে, ঘড়-বাড়ি বানাতে এমনকি মেয়ের বিয়ের পাত সাজাতেও কাঠের দরকার হয়, হ্যাঁ আর সেই কাঠ গুলো আমরা গাছ থেকেই পাই, তবে একবার ভেবে দেখো প্রতিদিন আমরা কত গাছের ধ্বংস করছি, তারপর তো বিশ্ব উষ্নায়ন আছেই, কেউ বলেছিলেন খুব তারাতারি পৃথিবী আবার জ্বলন্ত আগ্নেয়পিন্ড হয়ে যাবে, হ্যাঁ, এরকম করে যদি নিজের ব্যবহারের জন্য গাছ কাটা হয় তবে তার বানী অবশ্যই সত্যি হয়ে যাবে.. কিন্তু আমরা যদি একটি গাছের বদলে তিনটি গাছ লাগাই তবে? মানুষের দরকার হতেই পারে, মানুষ গাছ কাটতেই পারে, বেশি বলতে যাবেন তো কুড়ুলটা আপনার গলাতেও পরতে পারে। তাই "সবুজ শিশু", একটি ছোট্ট উদ্যোগ.. আমরা পারবোনা যারা গাছ কাটছে তাদের কে বলতে যে দাদা গাছ কাঠছেন কেন? আমরা পারবোনা একদিনো আনন্দ বাজার ছেরে থাকতে, আমরা পারবোনা দরিদ্র গ্রাম গুলোতে গিয়ে বলতে, যে দাদা কাঠ দিয়ে রান্না করবেন না কারন একটি গাছ একটি প্রান, আর যদি বলেই দিই তবে আর হাসি মুখে বাড়ি ফিরতে হবে না। কিন্তু আমরা একটা জিনিস পারি, যেখানে একটি গাছ কাটা হচ্ছে সেখানে তিনটি গাছ লাগাতে, হ্যা আমাদের পরিকল্পনা এটাই গাছ লাগাও প্রায় বাঁচাও... 
ভাই সবুজ তো হলো, কিন্তু শিশুটা কি করতে ধুকলো?
হ্যাঁ দাদা বলছি সেটাই, শিশু শব্দটা খুব সুন্দর, কেউ বলেছিলেন "কুসন্তান যদিও হয় কুমাতা কখনো নয়" কিন্তু আমার মতে ধারনাটা একটু আলাদা, "যদি কুমাতা নাই হয় তবে কেন দশ মাসের শিশুর বাসস্থান রাস্তার ধারে হয়?" ব্যাপারটা জটিল, গভীরে যাচ্ছি না। রাস্তায় যদি কখনো কোন ভিখিরি শিশুকে দেখেন, কি করেনন আপনি? কি আর করি এক টাকার অচল কয়েনটা ছুরে দেই,.... আচ্ছা ভাই শিশু শাদনে যে বাচ্চা গুলো থাকে তাদের জীবন কেমন হয়? জানি না ভাই, তাদের মা-বাবা থাকে না... কেউ আদর করে না, কেউ বলে না বাবা খেয়েছিস? সেদিন দেখলাম চায়ের দোকানের ৯ বছরের ছেলে রিঙ্কু, ফ্যাল ফ্যাল করে কি যেন দেখছে, পরে লক্ষ্য করলাম ও দুটো ছেলেকে স্কুলে যেতে দেখছিলো... আর রিঙ্কুরো তো ইচ্ছে হয়, খাতা -কলমে লিখতে, তারো তো ইচ্ছে হয় বড়ো হয়ে একটা মস্ত কিছু হতে... তার জন্যই তো "সবুজ শিশু".... রায়গঞ্জের অতন্ত গরীব শিশুদের শিক্ষাদান করবে এই "সবুজ শিশু", রিঙ্কুর মত হাজার হাজার ছেলের হাতে তুলে দেবে খাতা, কলম, , রাস্তায় পরে থাকা সেই ছেলেটিকে বছরে একটি নতুন জামা দেবে, যারা পড়তে চায় তাদের পড়াবে, যারা শিখতে চায় তাদের শেখাবে... এই তো সবুজ শিশু....
আমরা একেবারে কেউ পৃথিবী বদলাতে পারবো না, কিন্তু যদি তোমাদের হাত পাই তবে অবশ্যই পারবো..... আমরা চাই পৃথিবী যেভাবে এগোচ্ছে সেই মানুষ গুলোও এগোগ.....তাই সদস্য হয়ে সাহায্য করুন... 

আমাদের সবুজ শিশু খুব কম সময় হলো তৈরি হয়েছে, তারই মধ্যে আমাদের অনেক স্বপ্ন অনেক আশা... শুধু চাই আপনাদের সহযোগিতা... 
যুক্ত হন আমাদের সাথে আর পৃথিবীতে এক পা এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করুন.....

About
Contact
bottom of page